কায়রো ২৬ মার্চ, ২০২৬:
নীলনদ ও পিরামিডের দেশ মিশরে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর্যের সঙ্গে বাংলাদেশ কায়রো দূতাবাস মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে রাষ্ট্রদূত মিস সামিনা নাজ জাতীয় সংগীতের সুরে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।
পরবর্তীতে দূতাবাসের সম্মেলন কক্ষে জাকির হোসেন এর সঞ্চালনায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে দিবসটির অনুষ্ঠান শুরু হয়। মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদ, আহত মুক্তিযোদ্ধা ও দেশের সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন নোমান উদ্দিন আজহারী।
অনুষ্ঠানে ঢাকা থেকে প্রেরিত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন যথাক্রমে দূতাবাসের চিফ অব মিশন গৌতম কুমার দে, দূতালয় প্রধান আতাউল হক এবং শ্রম সচিব জাকির হোসেন।
প্রধান অতিথি রাষ্ট্রদূত সামিনা নাজ তাঁর বক্তব্যে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে সম্ভ্রমহানী হওয়া মা-বোনদের স্মরণ করেন। তিনি বলেন, “১৯৪৭ সালের পর দীর্ঘ ২৪ বছরের সংগ্রাম ও আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতা বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়।”
রাষ্ট্রদূত ২৫ মার্চের নৃশংস গণহত্যার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন এবং বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার ওপর আলোকপাত করেন। তিনি প্রবাসীসহ সকল নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশের উন্নয়নে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
এছাড়াও, তিনি আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের অবদানের কথা তুলে ধরেন এবং জানান, চলতি সংবেদনশীল পরিস্থিতির কারণে এবারের উদযাপন সীমিত পরিসরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয় এবং অতিথিদের আপ্যায়নের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শেষ হয়।
