২৮ মার্চ, ২০২৬:
কানাডার অটোয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ হাইকমিশনের আয়োজনে এক কূটনৈতিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে কানাডার সংসদ সদস্য, উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদীয় সচিব রবার্ট অলিফ্যান্ট।
স্বাগত বক্তব্যে হাইকমিশনার মোঃ জসীম উদ্দিন ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লক্ষ শহিদ, বীরাঙ্গনা ও মুক্তিযোদ্ধাদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতা অর্জনের পাশাপাশি তা সুদৃঢ় করা একটি চলমান দায়িত্ব। গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, তৈরি পোশাক খাত, কৃষি, ক্ষুদ্রঋণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও নারীর ক্ষমতায়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। তিনি কানাডার সঙ্গে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শিক্ষা খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির কথাও তুলে ধরেন।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বৈশ্বিক অগ্রযাত্রার প্রশংসা করেন। তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের ভূমিকা এবং সামাজিক সূচকে উন্নয়নকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি কৃষি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও দক্ষতা খাতে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে আগ্রহ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে কেক কাটার মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করা হয়। এছাড়া ‘বাংলাদেশ: বারো মাসে তেরো পার্বণ’ শীর্ষক নৃত্যনাট্য পরিবেশনা অতিথিদের মুগ্ধ করে। এর আগে সকালে বাংলাদেশ হাউসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
